মহুয়া ফল থেকে তৈরি হচ্ছে খাঁটি 'কচড়া তেল
দি নিউজ লায়ন; মহুয়া ফল থেকে তৈরি হচ্ছে খাঁটি 'কচড়া তেল ""। কাঁকসার জঙ্গলমহলের আদিবাসীরা এই কচড়া তেল দিয়ে রান্না বান্না থেকে শরীরে তৈলমর্দন একদিকে যেমন হচ্ছে, অন্য দিকে বিক্রি করে চলছে সংসার শাল, সেগুল আর মহুয়ার জঙ্গল আর তারই মাঝে বসবাস করে কাঁকসার আদিবাসী সমাজ। আর সেইসব গাছের ফুল, ফল সংগ্রহ করে তাদের জীবকা নির্বাহ হয়। মলানদীঘি রক্ষিতপুর, চুয়া, লোহাগুড়ি সহ আরো একধিক আদিবাসী পাড়ার মানুষজন।
সরষের তেলের দাম বাড়ার কারনে ও শরীরচর্চার জন্য আদিবাসীরা তা কিনতে অপারগ। একে তো সংসার চালাতে নুন আনতে পান্তা ফুরায়। তারপর আবার ভোজ্য তেলের এত দাম। তাই নিজেদের তৈরি কচড়া তেল খেয়ে,গায়ে মাখছেন আদিবাসী সমাজ। এই তেল শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বাড়ায় বলে দাবী আদিবাসীদের। গ্এই কষ্টের মধ্যে পাশে দাঁড়ানোর আশ্বাস মলানদীঘি গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান পীযুষ মুখার্জীর । মহুয়া গাছের ফলকে বলা হয় “কচড়া”।
এই পাকা ফলের বীজের শাঁস থেকে তৈরি হয় তেল। তাতে করে বহু আদিবাসী পরিবারের চলে সংসার এবং চলে রান্না। একেই তো করোনা সংসার চালাতে হিমশিম কাজ নেই তাই হাতে অনেক সময়। জঙ্গল থেকে মহুয়া ফল।সংগ্রহ করে নিয়ে আসার পর খোসা ছাড়িয়ে ভালো করে পরিষ্কার করার পর সেদ্ধ করার পর রোদ্দুরে শুকানোর পর মেশিনে পেশায় করলেই কচড়া তেল তৈরি হয়ে যায়।
কিছু খাওয়া হয় কিছুটা মাখা আবার প্রদীপ জ্বালানো আবার কিছুটা বিক্রি নেই কোনো ভেজাল। তাতেই চলছে সংসার। সরকারি সাহার্যের আসায় বহু আদিবাসী পরিবার। কাঁকসার মলানদীঘি গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান পীযুষ মুখার্জী জানান মুখ্যমন্ত্রী সবসময় গরিব মানুসের পাশে দাঁড়াচ্ছেন। পঞ্চায়েত গত ভাবেই সাহার্য্য করা হবে এবং যাতে ওই শিল্প বাঁচে সেই ব্যাবস্থা করবেন।

Post a Comment